
স্টাফ রিপোর্টার :
: বিভিন্ন অনিয়ম ও পাসপোর্ট যাত্রী হয়রানি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পরও দূর্নীতিবাজ বেনাপোল কাস্টমস সিপাহী জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে উর্দ্ধতণ কর্তৃপক্ষ কার্যত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় জনমনে প্রশ্ন ওঠছে এই অসাধু কর্মকর্তার নেপথ্যের উৎস কি। যদিও এ ব্যাপারে বেনাপোল কাস্টমস গোয়েন্দা সার্কেলের দায়িত্বরত কর্মকর্তার যোগা যোগের চেষ্ঠা চালালেও সাক্ষাৎ না মেলায় বক্তব্য জানা যাইনী। ইতিপূর্বে ২০২৩সালে বেনাপোল স্টেশনে দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে বিতর্কিত কর্মকান্ডে আলোচিত থাকলেও সাম্প্রতিক বেনাপোল স্টেশনে পাসপোর্ট যাত্রীর কাছ হতে স্বর্ণবার উদ্ধার ঘটনায় পুনরায় আলোচনায় আসে। গত ১৯ সেপ্টেম্বর ২৬ ইং তারিখে বেনাপোল ইমিগ্রাশানে আগত পাসপোর্ট যাত্রী মোবারক হোসেনের রেকটামের মধ্য হতে পাচারের উদ্দেশ্যে আনা স্বর্ণবার উদ্ধার হলেও গোয়েন্দা সিপাহী জাহাঙ্গীর মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে বদলী হওয়া কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তা আবু সেলিম মোঃ মোশারফ হোনের ভুইয়ার নির্দেশনা মোতাবেক মামলা ছাড়াই তাকে ছেড়ে দেয়। এ ঘটনা বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর সেলিম বদলি হলেও তার প্রধান সহযোগী জাহাঙ্গীরকে বেনাপোল স্টেশনে রাখতে প্রভাব খাটায়। বর্তমানে সিপাহী জাহাঙ্গির বেনাপোলে থেকেই বিকাশে(০১৯১২৯৬২২২২) ও নগদে বেনাপোল কাস্টমস গোয়েন্দা অধিদপ্তরের নামে অসাধু ব্যবসায়ী ও ল্যাগেস ব্যাবসায়ীদের নিকট হতে ঘুষের টাকা গ্রহন করছেন বলে জানা গেছে। বেনাপোল কাস্টমস গোয়েন্দা সার্কেলের সিপাহীর অনিয়ম ও দূর্নীতির তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়,২০২৩ সালের ১৯ আগস্ট ঘুসের টাকা দাবীতে ভারত ফেরত জাফর খান নামের এক বাংলাদেশী পাসপোর্টযাত্রীকে পিটিয়ে জখম করেন এই জাহাঙ্গীর। এ ঘটনায় তৎকালীন বেনাপোল সার্কেলের দায়িত্বরত উপ-পরিচালক আরেফিন জাহেদীর নিকট অভিযোগ জানান শারমিন জাহান। ঐ সময় সরকারী চাকুরির ক্ষমতার অপব্যাবহার করে ইমিগ্রেশানে আগত স্বর্ণপাচারকারী ও ডলার ব্যাবসায়ীদের অবৈধ সুবিধা দিয়েই কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে উত্তরবঙ্গে গড়েছেন অঢেল সম্পদের পাহাড় যা দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের সুষ্ঠ তদন্তে বেরীয়ে আসবে। তার বিরুদ্ধে রয়েছে নিয়মিত মাদক সেবনের অভিযোগ। দূর্নীতিবাজ জাহাঙ্গীরের এত অনিয়মের খবর প্রকাশের পরও বিভাগীয় তদন্ত না হওয়ায় হতবাক স্থানীয় সুশীল সমাজ। তাদের অভিমত এহেন কাজে কাস্টমস ব্যবস্থপনা প্রশ্নবিদ্ধসহ কাস্টমস গোয়েন্দা অধিদপ্তরের কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
মন্তব্য করুন