
স্টাফ রিপোর্টার ::
যশোরের বহু বিতর্কিত মিডিয়া সন্ত্রাসী সম্পাদক সুন্দর কুমার সাহা এর হলুদ সাংবাদিকতার স্বীকার এবার গণমাধ্যম কর্মীরাও। এর আগে সুন্দর সাহ বেনাপোল বন্দর, কাস্টমস,থানা,ইমিগ্রেশানে কর্মরত বিভিন্ন সরকারী কর্মকর্তাদের নামে একাধিক মনগড়া সংবাদ পরিবেশন করলেও সাম্প্রতিক গণমাধ্যমকর্মীদের টার্গেট করে চরিত্র হনন চেষ্ঠায় লিপ্ত হয়েছে। তার এই অপচেষ্ঠায় স্বীকার হয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার ন্ত্রাণালয়ে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত অনলাইন পোর্টালের প্রকাশক ও জাতীয় দৈনিক এদিন পত্রিকার শার্শা প্রতিনিধি মাহমুদুল হাসান। তার নামে প্রতিদিনের কথা পত্রিকার বৃহষ্পতিবার( ২৯ অক্টোবর) এর সংখ্যায় “বেনাপোলে হত্যা-চাঁদাবাজি মামলার আসামি সুমন-বাবুর চাঁদাবাজি তুঙ্গে” শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করে সুন্দর সাহ। ঘটনার বর্ননায় ভুক্তভোগী গণমাধ্যমকর্মীদের জ্ঞাতার্থে বলেন,গত ২৭ অক্টোবর২৬ প্রতিদিনের কথা পত্রিকায় বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনারের নিকট অবৈধ সুবিধা আদায়ের চেষ্ঠায় তাকে ফাাঁসাতে যশোর পোস্ট নামীয় পেজ নিয়ে মিথ্য,বানোয়াট ও মনগড়া প্রতিবেদন প্রকাশ করে সুন্দর সাহা। বিষয়টি আমার দৃষ্টি গোচর হলে জনসাধারনের বিভ্রান্তি দূর করতে নিজ নামীয় ফেসবুক আইডি হতে সুন্দর সাহ এর ঘৃনীত কাজ হতে বিরত থাকতে সতর্ক করে পোস্ট ছাড়ি। একাজে ক্ষিপ্ত হয়েই অপসাংবাদিকতা লুকানোর চেষ্ঠায় ও জনরোষ এড়াতে সুন্দর সাহার সুন্দর চেহারার আড়ালে লুকিয়ে রাখা কুৎসিত মানসিকতার বহিপ্রকাশ ঘটিয়েছে। তার দাবি প্রতিবেদক সৈকত হোসেন (ছদ্মনামীয়) এর প্রতিবেদনে তার নামে চাঁদাবাজির কাল্পনিক অভিযোগ আনা হয়েছে;বরং দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলসহ যশোরের সীমান্ত এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, স্বর্ণপাচারকারী, চোরাচালনী,মানব পাচারকারী,শুল্ক ফাঁকিবাজদের নিকট হতে সংবাদ প্রকাশের ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক টাকা আদায়কারী সুন্দর সাহা নিজেই। মিডিয়ার ভয় দেখিয়ে বেনাপোল বন্দর কেন্দ্রিক ব্যবসায়ী,সরকারি কর্মকর্তাদের নিকট হতে সুন্দর সাহার লাগামহীন চাঁদাবাজি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদেরকে খুশী করতেই স্বচ্ছ মিডিয়া কর্মীদের টার্গেট করে নিজ স্বার্থ হাসিলের পায়তারা চালাতে ভিত্তিহীন মগগড়া ও কাল্পনিক সংবাদ প্রকাশে মত্ত হয়ে ওঠেছে। ভুক্তভোগী ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তপূর্বক প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেছেন। একাধিক সূত্র হতে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সুন্দর সাহ ৫ আগস্ট পরবর্তী আওয়ামী সরকারের পতনের পর হতেই আওয়ামী নেতাদের পূর্নবাসন ও নিরাপদে ভারতে পার হওয়ার সুযোগ করে দিয়ে কোটি কোটি টাকা উপার্যন করেছেন যা প্রশাসনের সুষ্ঠ তদন্তে বের হবে। ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী নেতাদের অর্থ পৌঁছে দেওয়ার কাজে বেনাপোল সীমান্তের হুন্ডি ব্যবসায়ী ও হিজড়াদের ব্যবহার করছে। প্রথমে রিপোর্টার থাকলেও আওয়ামীলীগের এজেন্ট হয়ে প্রসানিক সুবিধা নিতে যশোর জেলা আওয়ামীলীগের যগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও বেনাপোলের সাবেক মেয়র চিহ্নিত শুল্ক ফাঁকিবাজ আশরাফুল আলম লিটনের পত্রিকার সম্পাদক সেজে তার অর্থ সম্পদ রক্ষায় সচেষ্ট এই সুন্দর সাহা। প্রশাসনিক হয়রানিসহ গ্রেপ্তার এড়াতে শার্শা উপজেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক আজিবারসহ আওয়ামীলীগের শীর্শ সন্ত্রাসীদের তার যশোর লালদীঘির পাড়স্থ পত্রিকা অফিসে থাকা খাওয়ার সুবন্দোবস্ত করে প্রতিমাসে লাখ লাখ হাতিয়ে নিচ্ছে সুন্দর সাহা। এছাড়াও চাঁদাবাজির হাত হতে রক্ষা চেষ্ঠায় বেনাপোলের স্থানীয় বাসিন্দা ও আমদানিকারক পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড দূর্গাপুর গ্রামের মৃত ইহান আলীর ছেলে মোঃ আজিমুর রহমান যশোরের অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সুন্দর সাহার নামে মামলা করেন। অপর ভুক্তভোগী ছোট আঁচড়া গ্রামের ছগিরের ছেলে রয়েল হোসেন চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে বেনাপোল বাজারস্থ সানরুফ হোটেলে সংবাদ সম্মেলন করেন। সুন্দর সাহার হয়ে বেনাপোল কাস্টমস কর্মকর্তার নিকট টাকা চাওয়ার অডিও রেকর্ডও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এরপর হতে বেনাপোল ও তার পাশ্ববর্তী উপজেলা গুলোতে সম্পাদক সুন্দর সাহার পত্রিকার নামে চাঁদাবাজি মুখ থুবড়ে পড়ে ও সাংবাদিক সমাজের নিকট ভাবমূর্তি নষ্ট হয়। এখন অকেনটাই মাছ না পেয়ে ছিপে কামড়ের মত সীমান্তের চোরাকারবারি,মাদক ব্যবসায়ি ও রাজস্ব ফাঁকিবাজদের মন পেতে সরকারি কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের নামে অপপ্রচার চালিয়ে রটি- রুজির চেষ্টা চালাচ্ছে।
মন্তব্য করুন