
বিশেষ প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
বাংলাদেশ টিচার্স ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে চট্টগ্রাম নগরীতে উৎসবমুখর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ১০টায় নগরীর পাহাড়তলী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবারের মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় চট্টগ্রাম নগরীর ১০০টির বেশি স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।
পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন পাহাড়তলী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ শ্যামল কান্তি মজুমদার, ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান আবদুল আজিজ, লেখক ও সংগঠক মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম, চাটগাঁ টিভির চেয়ারম্যান আলহাজ আকতার উদ্দিন রানা, বিশিষ্ট সমাজসেবক রোটারিয়ান এস এম আজিজ এবং চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের মহাসচিব আলহাজ আবু তাহের চৌধুরী।
এ ছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ টিচার্স ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. আব্বাস উদ্দিন, সহসভাপতি প্রিয়াংকা চৌধুরী ও আলহাজ মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হাসান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক সেলিম মোশাররফ খান এবং ধর্মবিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম মারুফ।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি লায়ন ফারুক আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মমিনুল হক খোকন, খালেদা আক্তার বিথি, ইয়াসমিন ও তাবাসসুম তানিয়া। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মানবাধিকার ফোরামের উপদেষ্টা মো. জসিম উদ্দিন, প্রাইভেট এডুকেশন সোসাইটির উপদেষ্টা একিউএম মোসলেহ উদ্দিন, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সংগঠক সালাহ উদ্দিন কাদের লাভলু, দারুন নাজাত শিক্ষা পরিবারের চেয়ারম্যান মাওলানা শেখ ফরিদ এবং হোপ রাইজ স্কুলের চেয়ারম্যান ফয়সাল মুন।
এ সময় বাংলাদেশ টিচার্স ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের সদস্য মামুনুর রশিদ হাবিবী, আবুল হাসনাত, মো. রাকিব, আনিসুল ইসলাম ও সালেহ আহম্মদ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সংগঠনের সহসভাপতি হারুনুর রশিদ, ফাতেমা আক্তার, আছিয়া আক্তার, রোকসানা আক্তার, নূর নাহার ও শাহনাজ আক্তার, বিদ্যাবন একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা মো. আলমগীর হোসেন এবং শিক্ষিকা রোকসানা আক্তার ও রোমানা আক্তারসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনকালে অতিথিরা এ ধরনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষার আয়োজনকে শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশ, মেধা অন্বেষণ এবং শিক্ষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টির একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে অভিহিত করেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননের বিকাশে এ ধরনের শিক্ষামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্তব্য করুন